А¦®а¦ѕ А¦“ А¦›а§‡а¦іа§‡а¦° А¦ёа¦¤а§ѓа¦ё А¦—а¦іа§ќа¦є|| А¦®а¦ѕа¦•ে А¦ёа¦їа¦їа¦ја§‡ А¦›а§‡а¦іа§‡а¦° А¦а¦їа¦ј||ma O Chele -
গল্পটি কেমন লাগল? আপনি কি এই গল্পের কোনো করতে চান?
একদিন আরিয়ান কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করে বাড়ি চলে এল। দেখল মা দাওয়ায় বসে একমনে সেলাই করছেন। আরিয়ানকে দেখে মা যতটা খুশি হলেন, তার চেয়ে বেশি অবাক হলেন। রাতে খাওয়ার সময় আরিয়ান খেয়াল করল, মা খুব ধীরগতিতে খাবার খাচ্ছেন এবং মাঝেমধ্যে থমকে যাচ্ছেন।
কিন্তু আরিয়ানের মনের ভয় কাটল না। সে মাকে নিয়ে শহরের বড় ডাক্তার দেখাল। সব পরীক্ষা শেষে ডাক্তার হাসিমুখে বললেন, "ভয়ের কিছু নেই আরিয়ান সাহেব। আপনার মায়ের শরীরে তেমন কোনো রোগ নেই, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে একা অনুভব করছেন। এটাকে বলে 'এম্পটি নেস্ট সিনড্রোম'। আপনার মা শুধু আপনার একটু সময় আর সান্নিধ্য চান।" গল্পটি কেমন লাগল
আরিয়ান ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, "মা, তোমার শরীর কি খারাপ?"মা হেসে বললেন, "না রে পাগল, বয়স হয়েছে তো, শরীরটা একটু ভার লাগে এই যা।"
এক মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প। মা সুলতানা বেগম আর তাঁর একমাত্র ছেলে আরিয়ান। আরিয়ান এখন শহরের বড় এক কোম্পানিতে চাকরি করে। কাজের চাপে সে খুব একটা বাড়ি যেতে পারে না, কিন্তু মায়ের জন্য তার দুশ্চিন্তার শেষ নেই। "না রে পাগল
আরিয়ান সেদিন বুঝতে পারল, মায়ের জন্য দামি ওষুধ বা আলাদা ভয়ের চেয়েও বেশি প্রয়োজন তার পাশে থাকা। সে ঠিক করল, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহান্তে সে বাড়ি আসবে এবং প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা মায়ের সাথে ভিডিও কলে গল্প করবে।
মায়ের জন্য আরিয়ানের সেই শেষ পর্যন্ত এক গভীর ভালোবাসা আর সচেতনতায় রূপ নিল। সে বুঝতে পারল, মায়েদের বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে বড় ওষুধ হলো সন্তানের একটু হাসি আর সময়। বয়স হয়েছে তো
মা একা গ্রামে থাকেন। ইদানীং তিনি ফোনে কথা বলার সময় প্রায়ই সবকিছু ভুলে যান। কখনো চশমা খুঁজে পান না, কখনো চুলা জ্বালাতে গিয়ে ভুলে যান। আরিয়ানের মনে একটা চাপা ভয় কাজ করতে শুরু করল— মা কি তবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন? সে কি মাকে একা রেখে ভুল করছে?
